• Facebook
  • YouTube

People Visited This Site

General

General Discussion on Architecture
 Views
3Posts

Interiors

Interior design related articles
 Views
0Posts

Buildings

Architecture
 Views
1Posts

Books

Books
 Views
0Posts

Construction

Construction Details
 Views
0Posts
New Posts
  • সিরিয়ায় আমেরিকা আর সৌদি হামলার চিত্র। ছবিগুলো আলেপ্পো শহরের। ছবিঃ আর্ক২০
  • পাশের এই ছবিগুলোর মত অনেক ছবিই আমরা মাঝে মাঝে অনলাইনে দেখতে পাই। প্রায়ই দেখা যায় ওভারব্রীজ থাকা সত্ত্বেও খোদ ওভারব্রীজের নিচ দিয়েই লোকজন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হয়ে যাচ্ছে। আইন-জরিমানা, পুলিশ, অপমান কোন কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা। কোটি কোটি টাকার এই ওভারব্রীজগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার না করায় এর মূল্যেরও সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছেনা। তবে, আমরা একটু চিন্তা করে দেখতে পারি, লোকজনের এই ধরণের আচরণের পেছনে কোন যুক্তি আছে কিনা। কেননা শুধু যে অশিক্ষিত লোকজন দৌড়ে রাস্তা পার হচ্ছে তা-না। এর মাঝে শিক্ষিত এমনকি স্কুলের বাচ্চা সহ মহিলারাও আছেন। ওভারব্রীজের মাঝে এমন কি আছে, যা তাদের নিরুতসাহিত করছে । এটা নিয়ে ভাবতে হলে আমাদের আগে দেখতে হবে ওভারব্রীজের সুবিধা আর অসুবিধা কি কি আছে। সুবিধাঃ ১। ওভারব্রীজ নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার জন্য একটি চমৎকার সমাধান। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই ওভারব্রীজ এবং আন্ডারপাস ব্যবহার করে লোকজন রাস্তার একদিক থেকে অন্যদিকে যায়। বিশেষ করে হাইওয়ে, এক্সপ্রেসওয়ে, যেসব স্থানে দ্রুত গাড়ি চলার কারণে দূর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, সেখানে এরকম দেখা যায়। গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে মানুষকে এপার থেকে ওপারে নেয়ার এর চেয়ে ভালো সমাধান হতে পারেনা। তবে যেহেতু সিড়ি দিয়ে হেটে উপরে উঠতে হয়, সেহেতু বয়ষ্ক, হুইলচেয়ারওয়ালা অথবা ভারী ব্যাগপত্র হাতে চলা মানুষের জন্য ওভারব্রীজ খুব একটা কার্যকর হয়না। আর এই সমস্যা সমাধানের জন্য কোথাও আবার এসকেলেটর অথবা লিফটও দেখা যায়। ২। ওভারব্রীজ সুন্দর করে ডিজাইন করা হলে সেটা শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। ঢাকাতেও দেখতে ভালো কিছু ওভারব্রীজ আছে। টেনসাইল মেমব্রেন অথবা গাছপালার জন্য প্লান্টারবক্স দিয়ে ভালো দৃষ্টি নন্দন ওভারব্রীজ তৈরী করা যেতে পারে। এবারে ওভারব্রীজের সমস্যাগুলো একটু দেখি ১। দূরত্বঃ নিচের ছবিটা বনানী চেয়ারম্যানবাড়ির রাস্তাটা ১০০ ফিট চওড়া। বাস থেকে সাধারণত হলুদ রঙ এর ক্রস চিহ্ন দেয়া স্থানে নামিয়ে দেয়া হয়। কেউ যদি সরাসরি রাস্তা ক্রস করতে চায়, তাহলে তার হাটতে হবে মাত্র ১০০ ফিট। আর সেখানে ওভারব্রীজ দিয়ে পার হতে হলে প্রথমেই তাকে ২০০ ফিট হেটে ওভারব্রীজের গোড়ায় পৌছাতে হবে। ১০০ ফিটের রাস্তা পার হতে একজন আইনের অনুগত নাগরিকের হাটা লাগছে ৬০০ ফিট । অতিরিক্ত ২০ফিট উঠায়ে আবার নামানোর কথা বাদই দিলাম। ২। বয়ষ্ক অথবা প্রতিবন্ধীদের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। বিষয়টা অনেকটা এরকম যেন বয়ষ্ক , অসুস্থ, প্রেগ্ন্যান্ট মহিলা, অন্ধ অথবা হুইলচেয়ারওয়ালাদের রাস্তায় বের হওয়ার দরকার নাই। রাস্তা পার হওয়ার ত প্রশ্নই আসেনা। ৩। ব্যয়বহুল এই ওভারব্রীজগুলোর খরচের বিশেষ কোন লাগাম নেই। তবে বাংলাদেশের ধনী সরকারের কাছে এটা খুব একটা বড় বিষয় না। ৪। ফুটপাথ ছোট করে দেয় । সবগুলো ওভারব্রীজই ফুটপাথ থেকে জায়গা নিয়ে উঠে গেছে। ফার্মগেট থেকে বিজয়সরণীর দিকে একটা মজার ফুটপাথ আপনারা সবাইই দেখেছেন। একজন মানুষও ঠিকভাবে যেতে পারেনা অথচ হাজার হাজার লোক ওই ফুটপাথ ব্যবহার করেন প্রতিদিন। ৫। সুবিধা শুধুই গাড়িওয়ালাদের । এই যে এত এত কষ্ট আর খরচ করে মূলত সুযোগ সুবিধা করে দেয়া হচ্ছে গাড়িগুলোকে। অথচ গণতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী হেটে চলা আর গাড়িতে চড়া দুই দলকে সমান মূল্যায়ন করা উচিত সরকারের । বরং হেটে চলা মানুষের সংখ্যা যেখানে বেশি, যেখানে হেটে চলাদের জন্যই বরং বেশি সুযোগ সুবিধা থাকা উচিত। জেব্রাক্রসিং একটা ভালো সমাধান। এখানে হেটে চলা মানুষ এবং গাড়ীওয়ালা মানুষ দুজনই দুজনের জন্য অপেক্ষা বা কষ্ট করে। ৬। নিরাপত্তার অভাব । নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আপনি রাত ১টার দিকে কোনো ওভারব্রীজেই উঠবেন না। কেন উঠবেন না, তা আর না-ই বা বললাম। জেব্রাক্রসিং এর সুবিধাগুলো কি ১। সভ্য দেশের সভ্য লোকেরা জেব্রা ক্রসিং দিয়েই পার হয় । আমরা আইন একটু কম মানি বা যারা একটু কম মানেন, তাদের জন্য এত বিশাল ওভারব্রীজের কাহিনী করাটা মোটেও সুদূরপ্রসারী চিন্তার ফসল নয়। আইন বরং কড়া করা যেতে পারে। অথবা আরো অনেক সমাধান আছে লোকজনকে জেব্রাক্রসিং দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে হাটানোর। সমাধানটা যত কষ্টকরই হোক না কেন, ওভারব্রীজে উঠতে বাধ্য করার মত জটিল হবেনা। ২। খর কম । জেব্রাক্রসিং বানানো এবং এর নিয়মিত রঙ করার খরচ অনেক অনেক কম কমখরচা কম । জেব্রাক্রসিং বানানো এবং এর নিয়মিত রঙ করার খরচ অনেক অনেক কম েব্রাক্রসিং বানানো এবং এর নিয়মিত রঙ করার খরচ অনেক অনেক কম ৩। অসুস্থ, বৃদ্ধ অথবা প্রতিবন্ধীদের জন্য চমৎকার সমাধান জেব্রা ক্রসিং ৪। হেটে চলা মানুষদের প্রতি সম্মান দেখানো হয় যখন তাদের রাস্তা পার হওয়ার জন্য গাড়িগুলো থেমে যাবে। এটাই প্রকৃত গণতন্ত্র। সরকারের রাস্তায় দুই দলের সমান অধিকার। ৫। জেব্রা ক্রসিং সময় বাচায় অনেক এবং লোকজনকে হাটতেও উতসাহিত করে। ৬। রাস্তার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি র একটা অনেক বড় ব্যাঘাত ঘটে যখন ডিভাইডারগুলোর উপরে তারকাটা আর বেড়া দেয়া হয়। অথবা অনেক উচু উচু ডিভাইডার বানানো হয় শুধুমাত্র এই কারণে, যে লোকজন যেন রাস্তা পার হতে না পারে। যথেষ্ট পরিমাণে জেব্রা ক্রসিং থাকলে এই ডিভাইডারগুলোতে চমৎকার প্ল্যান্টেশন করা যেতো তবে সব কথার শেষ কথা, ওভারব্রীজের কি আসলেই দরকার নেই ? উত্তর হচ্ছে, আছে অবশ্যই। হাইওয়েতে, অথবা যেসব রাস্তায় গাড়ির স্পিড লিমিট বেশি । সেখানে ওভারপাস, আন্ডারপাস দুটোই হতে পারে। সুন্দর করে ওভারব্রীজ বানালেও লোকজন পার হবে। তবে মনে রাখতে হবে, শহরটা শুধু সুস্থ সবল স্বাস্থ্য সচেতন জনগণের জন্য না। অথবা গাড়িওয়ালাদের জন্যও না। এই শহর সবার। আইন ভেঙে দৌড়ে রাস্তা পার হয়ে যাওয়া মানুষ পৃথিবীর সব দেশেই আছে। আমাদের স্বভাব কেমন অথবা বাঙালি আইন মানেনা, এসব কথা চিন্তা না করে বরং সভ্য মানুষ যেভাবে শহর গুছিয়ে নিচ্ছে, আমাদেরও উচিত সেভাবেই গুছিয়ে নেয়া। ছবিঃ Internet #ওভারব্রীজ #জেব্রাক্রসিং #ঢাকা #বাংলাদেশ #সড়ক_নিরাপত্তা
  • মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়। জরিপের মাধ্যমে নতুন মৌজা নকশা ও রেকর্ড তৈরী করা হয় ও পূর্বে প্রস্তুতকৃত নকশা ও রেকর্ড সংশোধন করেও ভূমির শ্রেণীর পরিবর্তনের সাথে মিল রেখে এবং মালিকানার পরিবর্তনের ধারাবাহিবতার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ কওর হালকরন করা হয়। এ যাবত কাল পর্যন্ত চার বার রেকর্ড কার্যক্রম চালান হয় এ দেশে। রেকর্ড গুলো হল:- 1 C S -Cadastral survey 2 R S -Revitionel survey 3 P S – Pakistan survey 4 B S- Bangladesh survey ক) সি.এস. জরিপ (Cadastral Survey) বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সম জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey) ১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিপ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদেও প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল। জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey) সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুপি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে। ঘ) সিটি জরিপ (City Survey) সিটি জড়িপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জড়িপ। আর.এস. জড়িপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জড়িপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্য করা হয়। এ জাবত কালে সর্ব শেষ ও আধুনিক জড়িপ এটি। এ জড়িপ এর পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়। কার্টেসি >>><<<>>> বাংলাদেশের আইন কানুন <<<>>><<<